কুয়াকাটায় জমি দ-খ’ল করে স্থাপনা নির্মাণ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি | আপন নিউজ

শুক্রবার, ২৩ জানুয়ারী ২০২৬, ০৭:৩৫ অপরাহ্ন

প্রধান সংবাদ
কলাপাড়ায় জ্বালানি–বিদ্যুৎ খাতের খসড়া মহাপরিকল্পনা বাতিলের দাবিতে প্রতিবাদ কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে সড়ক দুর্ঘটনায় ইউপি দফাদার নি’হ’ত, বাবা গুরু’ত’র আ’হ’ত ডাকসুর মতো ১২ তারিখ ট্রাকের বিজয় ইতিহাস সৃষ্টি করবে- নুরুল হক নুর আগামীতে বুক ফুলিয়ে চলতে চাই, কোন দু’র্নী’তি অ’নি’য়ম সহ্য করা হবে না-ডা: জহির উদ্দিন কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কে বেপরোয়া বাসের চা’পা’য় মানসিক ভারসাম্যহীন নারী নি’হ’ত কলাপাড়ায় ভাড়া বাসায় দুর্ধ’র্ষ চু’রি, নগদ টাকা ও স্বর্ণালঙ্কার লু’ট ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট-২০২৬ উপলক্ষে কলাপাড়ায় অভিভাবক সমাবেশ তালতলীতে গণভোটের পোস্টার ছিড়ে ফেলার অভিযোগ হাজারো মানুষের অশ্রুসিক্ত নয়নে চির বিদায় নিলেন মহিপুরের মন্নান হাওলাদার পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা
কুয়াকাটায় জমি দ-খ’ল করে স্থাপনা নির্মাণ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

কুয়াকাটায় জমি দ-খ’ল করে স্থাপনা নির্মাণ, প্রশাসনের হস্তক্ষেপ দাবি

আপন নিউজ ডেস্কঃ কুয়াকাটা উপকূলীয় এলাকার লতাচাপলী ইউনিয়নের খাজুরা গ্রামে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ভোগদখল করা জমি অবৈধভাবে দখল করে বসতঘর নির্মাণের অভিযোগ উঠেছে।

আদালতে মামলা চলমান থাকা সত্ত্বেও প্রভাবশালীদের ছত্রচ্ছায়ায় সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেন জমির মালিক মো. আবুল কাশেম বেপারী।

জানা গেছে, ২০০৫ সালে মৃত নবী খাঁর ওয়ারিশদের কাছ থেকে দলিল মোতাবেক ১.৫০ একর জমি ক্রয় করেন কাশেম বেপারী। এসএ রেকর্ড অনুযায়ী ওই জমির দাগ নং ৪১৩৭, ৩৯৮৯, ৩৯৯০, ৩৯৯১ ও ৩৯৯২-এর মধ্যে ছিল। পরে বিএস রেকর্ডে জমির অংশগুলো স্থানান্তর হয়ে ৪০৭৭ নং দাগ থেকে ৫০ শতাংশ এবং ও ৪৭৮৭ নং দাগ থেকে ৯০ শতাংশ জমি দেয়া হয়। তবে বিএস রেকর্ডে জমির পরিমাণ ১০ শতাংশ কম আসে। এছাড়া দাগ নং ৪০৭৬-এর ৮ শতাংশ জমি ‘খাস’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়।

এই অসামঞ্জস্য ও জমির দখল নিয়ে বিরোধ শুরু হলে কাসেম ব্যাপারি আদালতে একটি মামলা দায়ের করেন। মামলাটি চলমান অবস্থায়ই স্থানীয় প্রভাবশালী শামছুল পঞ্চায়েতের প্রত্যক্ষ সহায়তায় নুর মোহাম্মদ ফরাজী সেখানে বসতবাড়ি নির্মাণ শুরু করেন। পরে নির্মাণ বন্ধে কাশেম বেপারী মহিপুর থানায় অভিযোগ করলে পুলিশ এসে কাজ বন্ধের নির্দেশ দেয়। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যেই ফের নির্মাণ শুরু হয়। পরে স্থাপনা নির্মাণে নিষেধাজ্ঞা চেয়ে কাশেম বেপারী আদালতে আবেদন করলে তা গৃহীত হয়। অথচ তার কার্যকর প্রতিফলন মাঠপর্যায়ে দেখা যাচ্ছে না।

অভিযোগ রয়েছে, মহিপুরের এক বিএনপি নেতা কাশেম বেপারীর ভোগদখলীয় জমি ও বাড়ির ভেতরে খুঁটি বসিয়ে বাড়ির সামনের খালের মধ্যে সীমানা নির্ধারণ করে দেন। যা এসএ রেকর্ডে ‘খাস’ হিসেবে চিহ্নিত ছিল।

আবুল কাশেম বেপারী অভিযোগ বলেন, ‘আমাকে নানাভাবে হুমকি ও ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে। শামছুল পঞ্চায়েত, নুর মোহাম্মদ ফরাজী, হেমায়েত ফরাজী ও মোস্তফা মুসল্লি প্রায়ই আমাকে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।’ বর্তমানে আমি নিরাপত্তাহীন রয়েছি। পরিবার নিয়ে ভয়ে দিন কাটাচ্ছি।’

তিনি বলেন, প্রশাসন তাদের কে ডেকে কাগজপত্র দেখে সমাধান করে দেওয়ার জন্য জোর অনুরোধ জানাই।

আক্ষেপের সুরে তিনি বলেন, ‘আমি দীর্ঘদিন ধরে শান্তিপূর্ণভাবে জমি ভোগ করে আসছি। এখন আমার বাড়ির ভেতর পর্যন্ত দখলের চেষ্টা চলছে। আমি মামলা করেছি, তবুও নির্মাণ থামছে না’।

অন্যদিকে অভিযুক্ত নুর মোহাম্মদ ফরাজীর কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। তবে তার বাবা হেমায়েত ফরাজী বলেন, ‘এ জমি সামছুল পঞ্চায়েত আমাদেরকে থাকার জন্য দিয়েছেন।’ এবিষয়ে শামছুল পঞ্চায়েতের বক্তব্য নিতে তার মুঠোফোনে কল দিলে সেটি বন্ধ পাওয়া যায়।

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইয়াসিন সাদেক বলেন, ‘বিষয়টি আপনার মাধ্যমে জানলাম। ওখানে তহসিলদার পাঠিয়ে খোঁজখবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

ভুক্তভোগী আবুল কাশেম বেপারী প্রশাসনের কাছে দ্রুত আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের এবং নিজের ও পরিবারের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান জানিয়েছেন।

আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *




© All rights reserved 2022 © aponnewsbd.com

ডিজাইন ও কারিগরি সহযোগিতায়: JPHostBD
error: সাইটের কোন তথ্য কপি করা নিষেধ!!